শ্যালিকাকে ধর্ষণ ও ব্লাকমেল জামাই বাবুর অভিমানে আত্মঘাতী ,, ঘটনা জানাজানি হতে স্ত্রীর সাথে অশান্তি, অবশেষে স্ত্রীর আত্মহত্যা,, থানায় অভিযোগ দায়ের খুন ও ধর্ষণের।
বনগাঁ থানার নকপুল সবাইপুর এলাকার অমল মন্ডলের মেয়ে অসিমা মন্ডল ২৪ ন…
শ্যালিকাকে ধর্ষণ ও ব্লাকমেল জামাই বাবুর অভিমানে আত্মঘাতী ,, ঘটনা জানাজানি হতে স্ত্রীর সাথে অশান্তি, অবশেষে স্ত্রীর আত্মহত্যা,, থানায় অভিযোগ দায়ের খুন ও ধর্ষণের।
বনগাঁ থানার নকপুল সবাইপুর এলাকার অমল মন্ডলের মেয়ে অসিমা মন্ডল ২৪ নকপুল সীতানাথপুরের সৌরভ বিশ্বাস কে ভালোবেসে বিয়ে করে সাত বছর আগে। বিয়ের পর থেকে সুখে শান্তিতেই সংসার করছিল দুজনে।
বছর খানেক বাদে স্বামী স্ত্রীর সাথে খুব অশান্তি শুরু হয় সংসারে। অশান্তি এমন গড়ায় যে দুজনে বিবাহ বিচ্ছেদ মামলা করতে চায়। পরবর্তী সময় দুই পরিবারের লোকজন এক সাথে বসে মিটিয়ে দেয় ফের সংসার শুরু করে অসিমা এবং সৌরভ।
কিন্তুু অসীমার পরিবার অন্ধকারে থেকে যায় কি নিয়ে অশান্তি কারন দুজনকে বারবার জিঙ্গাসা করা সত্বেও কেই মুখ খোলেনি।
পরবর্তী সময় একদিন অমল বাবুর ছোট মেয়ে অসীমার বোন অঞ্জনা মন্ডল ২০ তার বাবাকে জানায় দিদির পরিবারে অশান্তি তার জন্য, জামাই বাবু সৌরভ মন্ডল দিনের পর দিন তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে তাকে ধর্ষণ করছে এবং ছবি তুলে ব্লাক মিল করছে পাশাপাশি খুনের হুমকি দিতে থাকে। এই ঘটনা দিদি জেনে যাবার পর থেকেই তাদের পরিবারে অশান্তি এমনটাই জানায় অঞ্জনা।
সব জেনেও নিরুপায় হয়ে পরে বাবা অমল মন্ডল বড় মে অসিমার কথা ভেবে। জামাইয়ের বিরুদ্ধে প্রশাসনের কাছে অভিযোগ করলে বড় মেয়ের সংসার নষ্ট হয়ে যাবে তাই চুপ করে থাকে তারা।
পরবর্তী সময় ৩০শে আগষ্ট ছোট মেয়ে নিজের ঘরে গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করে অভিমানে। তা সত্বেও বড়ো মেয়ের সংসারের কথা ভেবে জামাইয়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেনি।
কিন্তুু অঞ্জনার মৃত্যুর পরেও অসীমা ও সৌরভের অশান্তি বিন্দু মাত্রা কমেনি বরঞ্চ আরো বেরে যায় বাধ্য হয়ে বাবার কাছে চলে আসে অসীমা। তা সত্বেও ফোনে লাগাতার হুমকি দিত বলে অভিযোগ অসীমার বাবার। শনিবার অসীমার বাবা ও মা জমির চাষের কাজে বেরিয়ে গেলে অসীমা গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করে। স্থানীয় লোকজনের কাছে খবর পেয়ে সাথে সাথে ছুটে আসে তারা এবং অসীমাকে বনগাঁ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত বলে ঘোষনা করে। অসীমার প্রতিবেশীরা অমল বাবুকে জানায় সকাল বেলা জামাই সৌরভ এসে ছিল তারপরেই আত্মহত্যা করে অসীমা।
অমল বাবুর অভিযোগ সৌরভ তার মেয়েকে মেরে ঝুলিয়ে দিয়ে গেছে। ঘটনার বিবরন জানিয়ে শনিবার বনগাঁ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করে পরিবার। অভিযোগের ভিত্তিতে শনিবার রাতেই অভিযুক্ত সৌরভ কে আটক করে বনগাঁ থানার পুলিশ। ঘটনার তদন্তে বনগাঁ থানা। সুবিচারের আশায় অঞ্জনা অসীমার বাবা অমল মন্ডল। দুই মেয়েকে হারিয়ে তিনি আজ প্রশাসনের দ্বারস্থ এই অসহায় বাবা।

No comments