তিন বছর ধরে মেমারীর কাঁটাডাঙ্গা গ্রামের একই পরিবারের ১৭ জন সদস্য ডাইন অপবাদে ঘরছাড়া ।জনপ্রতিনিধি থেকে রাজনৈতিক নেতা কিংবা প্রশাসনের কর্তা ব্যক্তিদের জানিয়েও সুরাহা হয়নি বলে অভিযোগ।অসহায় পরিবার দুমুঠো ভাত ও একটু রাত কাটানো ছাউনি…
তিন বছর ধরে মেমারীর কাঁটাডাঙ্গা গ্রামের একই পরিবারের ১৭ জন সদস্য ডাইন অপবাদে ঘরছাড়া ।জনপ্রতিনিধি থেকে রাজনৈতিক নেতা কিংবা প্রশাসনের কর্তা ব্যক্তিদের জানিয়েও সুরাহা হয়নি বলে অভিযোগ।অসহায় পরিবার দুমুঠো ভাত ও একটু রাত কাটানো ছাউনির জন্য এই গ্রাম থেকে ওই গ্রাম ঘুরে বেড়াচ্ছে ।সঙ্গে আছে প্রাণনাশের হুমকি ।তবুও তারা বেঁচে আছে দাঁতে দাঁত চেপে ।বিডিও থেকে থানা পুলিশ ,এসডিও থেকে ডিএম থেকে জেলা পুলিশসুপার গত তিন বছরে বারে বারে অসহায় ঘরছাড়া পরিবারটি দ্বারস্থ হয়েছে ।কিন্তু শুকনো প্রতিশ্রুতি ছাড়া কিছুই মেলে নি ।পরিবারের ছেলেমেয়েদের পড়াশোনা বন্ধ হয়ে গেছে । বাড়ির কন্যা নবম শ্রেণীতে পড়া ছাত্রীও মুখ্যমন্ত্রীর সাধের প্রকল্প কন্যাশ্রী থেকে বঞ্চিত হয়েছে ।আজ সে ক্লাস ইলেভেন পড়ে। কারন ডাইন অপবাদে গ্রাম ছাড়া করার পর,অভিযোগ তার বই খাতা থেকে কাগজপত্র কিছুই নিতে দেয় নি।ফলে আজ পর্যন্ত মুখ্যমন্ত্রীর স্বপ্নের প্রকল্প কন্যাশ্রী থেকে আজও বঞ্চিত। ভোট আসে ভোট যায় ।কিন্তু পাল্টায় না মেমারীর হেমব্রম পরিবারের বারোমাস্যা ।আদিবাসি পরিবারের সদস্য ও সমাজসেবি সরকার মাণ্ডি জানান জেলা প্রশাসনের সব কর্তারাই গোটা বিষয়টি জানেন তিন বছর ধরে,আমরাও বারবার বিভিন্ন সময়ে বুঝিয়েছি ডাইন প্রথা আসলে কুসংস্কার ছাড়া কিছুই নয়।জেলাশাশক বলেন খুব তাড়াতাড়ি এই সমস্যার সমাধান করে তাদের গ্রামে ঢোকানো হবে।
No comments